বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ও আওয়ামী লীগ সম্পর্কে অসন্তোষ বাড়ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিক ফোনালাপে আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, “যে কোনো মূল্যে কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে হবে এবং প্রচুর লোক নিয়ে বড় মিছিল করতে হবে”। তার এই নির্দেশনায় নেতাকর্মীদের জন্য বিপদে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
শেখ হাসিনা দিল্লি থেকে ফোনে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে বলেন, “তোমরা যদি ৫০ থেকে ১০০ জন লোক নিয়ে সেখানে যাও, তারা তোমাদের কিছুই করতে পারবে না। আর বড় আকারে মিছিল নিয়ে মাঠে নামো, যাতে মাঠে নামার পর হামলা হলে পাল্টা হামলা করতে পারো”। তার এই নির্দেশনা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে বিরোধ তৈরি হয়েছে। অনেক নেতার মতে, শেখ হাসিনার মতো একজন পলাতক নেত্রী দেশের নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলছেন।
এ বিষয়ে দলের অনেক নেতা মন্তব্য করেছেন, “শেখ হাসিনা এবং তার আশপাশের নেতারা বিদেশে বসে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন, অথচ সাধারণ নেতাকর্মীরা তাদের নির্দেশে বিপদে পড়ছেন।” তার মতে, “এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনা তার শাসনামলে সংঘটিত দুর্নীতি ও অন্যায় বিষয়ে কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি, বরং তিনি আবারও ক্ষমতায় ফিরে আসার চেষ্টা করছেন।”
গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা সাইফুল হক এই পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, “আওয়ামী লীগ যদি ফের রাজনীতিতে ফিরে আসতে চায়, তবে তাদেরকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে, না হলে শুধুমাত্র ঝটিকা মিছিল ও হামলা দিয়ে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফল হবে না।”