ধর্মীয় চর্চায় বাড়ে মানসিক স্বাস্থ্য, কমে সামাজিক অবক্ষয়

ধর্মীয় চর্চায় বাড়ে মানসিক স্বাস্থ্য, কমে সামাজিক অবক্ষয়

প্রতিবছর ৭ এপ্রিল ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালনের মাধ্যমে মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করতে চায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে বাস্তবতা বলছে, স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রচার যতই হোক, মানসিক স্বাস্থ্য এখনো অনেকাংশে উপেক্ষিতই থেকে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞ ও ধর্মগুরুদের মতে, এই উপেক্ষার মূল কারণ হলো—ধর্মীয় ও আত্মিক চর্চার ঘাটতি। আজকের আধুনিক সমাজে ধর্মকে শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে, ফলে জীবনের সংকটকালে মানুষ ভরসার স্থান হারিয়ে ফেলে।

ইসলামের দৃষ্টিতে, জীবনের দুঃখ-কষ্ট, হতাশা ও ব্যর্থতার মাঝে কখনোই নিরাশ হওয়া যায় না। কুরআনে বলা হয়েছে, “আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।” সমাজে তাকওয়ার চর্চা ও স্রষ্টাভীতির সংস্কৃতি গড়ে উঠলে কেবল ব্যক্তি নয়, গোটা রাষ্ট্রব্যবস্থাই লাভবান হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক অবক্ষয়ের একটি বড় কারণ মানুষের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা। এর নিয়ন্ত্রণ সম্ভব ধর্মীয় অনুশাসনের মাধ্যমে। ধর্মচর্চা মানুষের নৈতিক শক্তিকে জাগ্রত করে, অন্যায় ও অনৈতিক কাজ থেকে বিরত রাখে এবং মানুষের অন্তর্গত বিবেককে জাগিয়ে তোলে।

এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা থেকে বের করে এনে মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। নিয়মিত ধর্মীয় উপদেশ, খুতবা বা আলোচনা একজন হতাশ মানুষকে যেমন চেতনা জোগায়, তেমনি সমাজকেও করে সুশৃঙ্খল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের সর্বশেষ