কোনো ব্যক্তি অসুস্থতা বা সফরের কারণে রমজানের রোজা রাখতে না পারলে, পরে তা আদায় করতে হয়, যা ইসলামি পরিভাষায় ‘কাজা রোজা’ নামে পরিচিত। শরিয়তের বিধান অনুসারে, কাজা রোজা যত দ্রুত সম্ভব পালন করা উত্তম, বিশেষত ঈদের পরপরই তা আদায় শুরু করা ভালো অভ্যাস।
ইসলামী শিক্ষায় বলা হয়েছে, এক রমজানের কাজা রোজাগুলো পরবর্তী রমজানের আগেই সম্পন্ন করা আবশ্যক। অন্যথায় বিনা কারণে দেরি করলে ব্যক্তিকে গুনাহগার হতে হবে। তবে নির্দিষ্ট কিছু দিনে কাজা রোজা রাখা নিষিদ্ধ। যেমন ঈদ উল ফিতর, ঈদ উল আজহার তিন দিন ও কেউ যদি কোনো নির্দিষ্ট দিনে রোজা রাখার মানত করে থাকে, তাহলে সেই দিনেও কাজা রোজা রাখা যাবে না।
রমজানের রোজার সঙ্গে কাজা রোজার নিয়তের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। রমজানের রোজার নিয়ত দিনের প্রথমভাগেও করা সম্ভব হলেও, কাজা রোজার জন্য অবশ্যই সুবহে সাদিকের আগে নিয়ত করতে হবে। অন্যথায়, তা নফল রোজা হিসেবে গণ্য হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যারা পিরিয়ড, অসুস্থতা বা ভ্রমণের কারণে রমজানের রোজা রাখতে পারেননি, তাদের উচিত পরবর্তী সময়ে এই বিধান অনুসরণ করে যথাযথভাবে কাজা রোজা পালন করা।