বাংলার চোখ নিউজ :
৩০ সেপ্টেম্বর ৬৯৩ নম্বর আদেশে প্রতিষ্ঠানটিকে ফাঁকি দেওয়া রাজস্ব আদায়সহ সমপরিমাণ ১ কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেন কাস্টমস কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমান
পুরোনো লুম মেশিনের আড়ালে শুল্ক ফাঁকি
শুধু এই দুই প্রতিষ্ঠান নয়, পুরোনো লুম মেশিন আমদানির নামে বছরের পর বছর শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আসছিল একটি অসাধু আমদানিকারক সিন্ডিকেট। মূলত আগে আমদানি করা মেশিনারিজ কায়িক পরীক্ষা ছাড়াই স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে চালান ছাড় করানো যেত। এক্ষেত্রে বন্দরের স্ক্যানিং মেশিনে মিথ্যা ঘোষিত পণ্য ধরা পড়তো না। যার সুযোগে সরকারের কোটি কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির ঘটনা ঘটতো। এসব রাজস্ব ফাঁকিতে সরাসরি সম্পৃক্ত কিছু অসাধু সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট।
কিন্তু কাস্টমসের এআইআর চলতি বছরের শুরুতে যাচাই সাপেক্ষে এ ধরনের পুরোনো লুম মেশিনের কয়েকটি চালানে মিথ্যা ঘোষণার প্রমাণ পায়। এতে রাজস্ব ফাঁকির পুরোনো সিন্ডিকেটের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় কাস্টমসের এআইআর শাখা। ফলে শতভাগ কায়িক পরীক্ষায় অসহযোগিতা করতে থাকে আমদানিকারক সিন্ডিকেট।
এর মধ্যে অন্তত পুরোনো লুম মেশিনের ১০ চালানের কায়িক পরীক্ষায় প্রায় পৌনে ছয় কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করে কাস্টমস এআইআর। এর মধ্যে রিমি সরকার দোয়া টেক্সটাইল এবং এস এন টেক্সটাইলের সিঅ্যান্ডএফ ‘আনাতুল হাসান সিঅ্যান্ডএফ লিমিটেড’।




