ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র অপহরণের পর এবার ইরানের দিকে হস্তক্ষেপের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির কিছু নীতিনির্ধারক। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম এবং এক মার্কিন আইনপ্রণেতা এই ধরনের সম্ভাবনা উত্থাপন করেছেন।
জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে সোমবার (৫ জানুয়ারি) উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে চলমান বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্র আংশিক হস্তক্ষেপ করতে পারে। একই সময়ে রিপাবলিকান সিনেটর ও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র লিন্ডসে গ্রাহাম ফক্স নিউজে উপস্থিত হয়ে ‘মেক ইরান গ্রেট অ্যাগেইন’ স্লোগানের টুপি পরে বলেন, “আমি আশা করি ২০২৬ সালে ইরানকে আবারও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।”
এ ঘটনার আগে, ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, যদি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয় হস্তক্ষেপ করবে। তবে মাদুরোকে ধরে আনার ক্ষেত্রে তিনি সরাসরি ভেনেজুয়েলায় অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে ইরানি রিয়ালের অবমূল্যায়ন ঘটেছে, যা সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। এতে করে দেশজুড়ে নাগরিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেছেন, যা গত সাত দিন ধরে চলছেই।
মাদুরোকে অপহরণের পর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের সঙ্গে কিউবা, কলম্বিয়া, মেক্সিকো এবং ডেনমার্কের গ্রিনল্যান্ডও যুক্ত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





