সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৭৭টি মামলার সবকটিতেই খালাস, তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সময়ে সময়ে মোট ৭৭টি মামলা করা হয়েছে। তবে অধিকাংশ মামলায় তিনি আদালত থেকে রেহাই পেয়েছেন বা মামলাগুলো খারিজ হয়ে গেছে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকরী মামলা নেই।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে তারেক রহমান যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, তাতে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেছেন। প্রায় দেড় দশক বিদেশে থাকা এই নেতার হলফনামা তার বর্তমান সম্পদ ও মামলার অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেয়।

হলফনামায় তারেক রহমান তার অস্থাবর সম্পদ হিসেবে মূলত শেয়ার ও ব্যাংক আমানতের তথ্য প্রদান করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন যে, নগদ ও ব্যাংক আমানতে রয়েছে মোট ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। শেয়ার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র মিলিয়ে আছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৪ টাকা। এছাড়া তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানিতে রয়েছে যথাক্রমে ৪৫ লাখ টাকা ও ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার, এবং শেয়ারের আরও ৫ লাখ টাকা রয়েছে।

এছাড়াও, স্থায়ী আমানত বা এফডিআরে রাখা রয়েছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা, এবং অন্যান্য আমানত আছে ১ লাখ টাকা। স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর গহনার মূল্য ২ হাজার ৯৫০ টাকা, আর আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে তারেক রহমানের কাছে রয়েছে কৃষি ও অকৃষি জমি এবং আবাসিক ভবন। অকৃষি জমির পরিমাণ ২.১ একর এবং ১.৪ শতাংশ, যার অর্জনকালীন মূল্য ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। এর সঙ্গে ২.৯ শতাংশ জমির ওপর একটি আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে, যা ‘উপহার’ হিসেবে পাওয়ায় এর আর্থিক মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া তার স্ত্রীর নামে যৌথ মালিকানায় রয়েছে ১১১.২৫ শতাংশ জমি, যার মূল্যও অজানা। যৌথ মালিকানায় আরও ৮০০ বর্গফুটের একটি দোতলা ভবন রয়েছে, যার আর্থিক মূল্যও জানা যায়নি।

শেয়ার করুন