আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে জামিন শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জুনায়েদ এবং জশিতা ইসলাম এনসিপি নেতা আখতার হোসেনের জামিন আবেদনের বিষয়ে আদেশ দেন। শুনানি শেষে আদালত পৃথক দুই মামলায় তাকে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেন।
আখতার হোসেনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেওয়া আইনজীবী মো. মুজাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ২০২১ সালে দায়ের হওয়া দুটি মামলায় আখতার হোসেন স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে একটি মামলায় ৫০০ টাকা ও অন্য মামলায় ১ হাজার টাকা মুচলেকার শর্তে মোট ১ হাজার ৫০০ টাকার বন্ডে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
শুনানির আগে আদালত প্রাঙ্গণে দেওয়া বক্তব্যে আখতার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তার বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এর মধ্যে চারটি মামলায় তিনি ইতোমধ্যে অব্যাহতি পেয়েছেন। অবশিষ্ট দুটি মামলায় আজ আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জামিন লাভ করেছেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর শাহবাগ থানায় আখতার হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। একই বছরের ১৩ এপ্রিল পবিত্র রমজান মাসে তিনি অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করছিলেন। সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা থেকে তাকে আটক করেন। পরবর্তীতে শাহবাগ থানায় দায়ের করা পৃথক মামলাগুলোতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।





