আজ দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ভবনে সংস্থার পরিচালক প্রশিক্ষণ লাবণী চাকমার কাছ থেকে চেক গ্রহণ করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, ম্যানেজার আমের খান ও বাফুফে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার। ভারতের বিপক্ষে খেলার স্কোয়াডের ২৩ ফুটবলার, হেড কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা, ম্যানেজার আমের প্রত্যেকে ৭ লাখ টাকা করে এবং কোচিং স্টাফের অন্য পাঁচ সদস্য ৫ লাখ টাকা করে পুরস্কৃত হন।
বাংলাদেশ দলের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ টিম অ্যাটেনডেন্ট মো. মহসীন। তিনি ২০০৩ সালের সাফ সেমিফাইনালে ভারত বধের ম্যাচেও দলের সঙ্গে ছিলেন এবং ২২ বছর পর ২০২৫ সালের জয়েও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু স্বল্প আয়ের মহসীন এ অর্থনৈতিক পুরস্কার পাননি। এছাড়া দলের ভিডিও অ্যানালিস্ট নাসিফ ইসলামও বোনাস পাননি, যদিও তার বিশ্লেষণাত্মক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই কোচ কৌশল নির্ধারণ করেন। এছাড়া টিমের মিডিয়া ম্যানেজার ও চিকিৎসকও পুরস্কারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি।
জাতীয় দলের ম্যানেজার আমের খান বোনাস বণ্টন প্রসঙ্গে জানান, “ফেডারেশন ৪০ জনের একটি তালিকা দিয়েছিল। ভারত ম্যাচের আগে ইব্রাহিমসহ আরও কয়েকজন খেলোয়াড় ক্যাম্পে ছিলেন এবং তারা দলভুক্ত ছিলেন। আজ আমরা এনএসসিতে ৩০ জনের চেক গ্রহণ করেছি।”
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, “ভারত ম্যাচের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সদস্যদের মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ নীতি অনুযায়ী বিবেচনা করেছে।”
এদিকে, বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য দেড় কোটি টাকা বোনাস ঘোষণা করা হয়েছিল। এশিয়া কাপে উঠা নারী দলকে দেওয়া হয়েছিল ৫০ লাখ টাকা। এই দুই ক্ষেত্রে টিমের মিডিয়া ম্যানেজার, ভিডিও অ্যানালিস্ট ও চিকিৎসকরা বোনাস পান। কিন্তু পুরুষ দলের ক্ষেত্রে এটি কার্যকর হয়নি। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ছাড়া দেশের কোনো ক্রীড়া ফেডারেশন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বোনাসের নির্দিষ্ট নীতিমালা নেই।





