মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এমবাপ্পের রেকর্ড ভাঙলেন লামিন ইয়ামাল

লামিন ইয়ামাল আবারও শিরোনামে। চ্যাম্পিয়নস লিগে মঙ্গলবার আইনট্রাখট ফ্র্যাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে মাঠে নেমে কিলিয়ান এমবাপ্পের একটি উল্লেখযোগ্য রেকর্ড নিজেদের করে নিয়েছেন বার্সেলোনার এই তরুণ। তবে রাতটি তার জন্য পুরোপুরি সুখকর হয়নি—ম্যাচশেষে তাকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধও হতে হয়েছে।

বার্সেলোনার ২-১ ব্যবধানের জয়ের ম্যাচে ইয়ামাল গোল না পেলেও জুলস কুন্দেকে দিয়ে গোল করিয়ে নিজের নাম লিখিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। ১৮ বছর বা তার কম বয়সী ফুটবলারদের মধ্যে সর্বাধিক গোল-অবদান রাখার নতুন রেকর্ড এখন তার দখলে। এ কীর্তিতে তিনি পেছনে ফেলেছেন ফরাসি তারকা এমবাপ্পেকে।

চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সার হয়ে ইয়ামালের মোট অবদান এখন ১৪—যার মধ্যে সাতটি গোল ও সাতটি অ্যাসিস্ট। বিপরীতে এমবাপ্পের একই বয়সসীমায় অবদান ছিল ১৩ (১০ গোল, ৩ অ্যাসিস্ট)। এখনও তার ১৯ পূর্ণ হতে কয়েক মাস বাকি, ফলে সামনে আরও অনেক ম্যাচে এই সংখ্যা বাড়াতে পারবেন তিনি।

ক্যম্প ন্যুতে ম্যাচটি ছিল রীতিমতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। শুরুতে আনসগার নাউফের গোলে পিছিয়ে পড়ে বার্সা। তবে বিরতির পর কুন্দের দুই গোল ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়। তার দুই গোলেই সহায়তা করেন মার্কাস রাশফোর্ড ও ইয়ামাল।

তবে পরবর্তী ম্যাচে বার্সেলোনার জার্সিতে দেখা যাবে না ইয়ামালকে। এ ম্যাচে তিনি টুর্নামেন্টে নিজের তৃতীয় হলুদ কার্ড দেখেছেন। নিয়ম অনুসারে এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে হবে তাকে। জানুয়ারিতে স্লাভিয়া প্রাহার বিপক্ষে ইউরোপিয়ান ম্যাচটি তাকে বেঞ্চ থেকে দেখতে হবে।

ম্যাচের শেষ দিকে কোচ হানসি ফ্লিক তাকে বদলি করে তুললে কিছুটা অসন্তোষ দেখান ইয়ামাল। ফ্লিক পরে জানান, “লামিনের মধ্যে হতাশা ছিল, তবে তার আগে থেকেই একটি হলুদ কার্ড ছিল। আমাদের দলে তখন সতেজ খেলোয়াড় প্রয়োজন ছিল। তিন পয়েন্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমাদের জন্য। আমরাই পুরো ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছি। প্রতিপক্ষ ছিল রক্ষণাত্মক। এখন আমাদের লক্ষ্য নিজেদের দিকে মনোযোগ রেখে পরবর্তী ছয় পয়েন্ট পাওয়া।”

শেয়ার করুন