দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর অবশেষে রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নিলাম। নিলামের আগের দিন শনিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশীয় ক্রিকেটারদের যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে কয়েকজন পরিচিত মুখকে আর রাখা হয়নি। বাদ পড়াদের মধ্যে আছেন জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয় এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তবে তাদের তালিকাচ্যুত হওয়ার কারণ বিষয়ে বিসিবি কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি।
এর আগে বিসিবি জানিয়েছিল, গত আসরে ফিক্সিং–সংক্রান্ত সন্দেহে চিহ্নিত ক্রিকেটারদের নাম নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হবে না। ফলে স্বাভাবিকভাবে বাদ পড়া ক্রিকেটারদের ওপর সেই সন্দেহের ছায়া পড়েছে। এ বিষয়ে এনামুল হক বিজয়ও একই ইঙ্গিত দিয়েছেন। ঢাকা পোস্টকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেন।
বিজয় বলেন, ‘আমি শুধু ড্রাফট তালিকাটা দেখেছি। বিসিবির কেউ আমাকে এখন পর্যন্ত যোগাযোগ করেনি। উল্টো আমি নিজেই ৫–৬ জনকে ফোন করেছি ফাহিম স্যার, লিপু স্যার, সিইও সুজন স্যার, বুলবুল স্যার, মিঠু ভাই কেউই ফোন ধরেননি, কোনো নির্দেশও আসেনি। ড্রাফটে গিয়ে শুধু দেখলাম, আমার নাম নেই।’
তিনি আরও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এর মানে কি তাহলে আমি দোষী? কোনো প্রমাণ ছাড়া একজন খেলোয়াড়ের নাম তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া এটা বিস্ময়কর এবং অসম্মানজনক। কোনো নোটিশ নেই, কোনো ব্যাখ্যা নেই এভাবে কীভাবে হয়?’
বিজয় প্রশ্ন তোলেন, ‘শুধু অভিযোগ বা সন্দেহের ভিত্তিতে কিভাবে ক্রিকেটারদের বাদ দেওয়া হয়? বিসিবির স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়ার পরই আমি পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করব। আসলে কী ঘটছে সেটা বুঝতে ঢাকায় এসে পুরো বিষয়টি জানতে চাই। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণে যতদূর যাওয়া প্রয়োজন, আমি যাব।’
যোগ্যতার তালিকা হিসেবে প্রকাশিত দেশীয় ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত স্কোয়াডে মোট ১৫৮ জন জায়গা পেয়েছেন। সেখানে থেকে বাদ পড়েছেন আটজন এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আলাউদ্দিন বাবু, মিজানুর রহমান, নিহাদ-উজ্জামান, সানজামুল ইসলাম, মনির হোসেন খান এবং শফিউল ইসলাম।





