মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দেশবাসীকে শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার আহ্বান জামায়াত আমিরের

আগামী ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও গাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জাতীয় জীবনে এই দুই দিবসের তাৎপর্য অপরিসীম এবং এগুলো ত্যাগ, সংগ্রাম ও গৌরবের প্রতীক।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে জামায়াত আমির দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী শহীদ বুদ্ধিজীবী এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

তিনি ১৪ ও ১৬ ডিসেম্বরকে বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ দিন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এই দিনগুলো ত্যাগ, সংগ্রাম ও গৌরবের চিরন্তন স্মারক।’

ডা. শফিকুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে আলোচনা সভা, সমাবেশ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে দিবস দুটি পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এছাড়া গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের জন্য দোয়া করেন জামায়াত আমির এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘জাতি এমন এক সন্ধিক্ষণে এই দিবসগুলো পালন করছে, যখন ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ একটি ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে। ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা দুঃশাসন, নিপীড়ন ও গুমের পর মানুষ এখন শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের আকাঙ্ক্ষা করছে।’

ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দেশি ও বিদেশি দোসররা এখনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা এর একটি জ্বলন্ত উদাহরণ।’

এদিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস উপলক্ষে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আরেকটি আলোচনা সভা আয়োজন করা হবে। আর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে দলের কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে সকাল ৭টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘ইয়ুথ ম্যারাথন’ অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন