মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের আয়োজনে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মতবিনিময় সভায় পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেন, “গণমাধ্যমে যা দেখছি, মনে হয় যেন সিরিয়া বা লিবিয়ায় বসবাস করছি। সাংবাদিকদের উচিত দেশের মানুষের কথা ভেবে প্রতিবেদনে এগোনো। আমরা কারও কাছ থেকে কোনো সাহায্য পাচ্ছি না। যারা গ্রেফতার হয়, তাদের ছাড়াতে দিনে বক্তব্য দেওয়া রাজনৈতিক নেতারা রাতে তদবির চালান।”
সভায় রেঞ্জ ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা অংশ নেন। তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
সভায় চিহ্নিত অপরাধীদের জামিন রোধ ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, ‘প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য, ২০২৬ সালের নির্বাচন যেন ২০৩১ এবং ২০৩৬ সালেও মানুষ মনে রাখে।’
ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি বলেন, “সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক, আইজিপির নির্দেশে দলমত নির্বিশেষে কাউকে অন্যায় করার সুযোগ দেওয়া হবে না। নির্বাচন হবে উৎসবমুখর।”
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বৈধ অস্ত্র সংগ্রহই তাদের মূল কাজ। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রোধের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জানান, সকল অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। এআই তৈরি ছবি বা ভিডিওর প্রসঙ্গ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে জানানো হচ্ছে। নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সাজা দেওয়া হবে যাতে অন্যরা তা করতে সাহস না পায়।





