জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ৮ দলের জোটে এবার যোগ দিয়েছে এলডিপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৃতীয় তলায় আবদুস সালাম হলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াতের আমির। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।
জামায়াতের আমির বলেন, “এনসিপির সঙ্গে কিছুক্ষণ আগেই আমাদের বৈঠক হয়েছে। সেখানে তারা আমাদের সঙ্গে এই সমঝোতা বা জোটে যুক্ত হয়েছে। তারা আজ রাতের মধ্যেই সংবাদ সম্মেলনে সেই ঘোষণা দেবে।”
তিনি আরও জানান, “এটা আমাদের মজবুত নির্বাচনি সমঝোতা। সারা দেশে তিনশো আসনের বিভিন্ন আসনে আমাদের মধ্যে প্রার্থী নির্ধারণ করেছি। যেহেতু দুই দল শেষ পর্যায়ে এসেছে। খুবই দুরূহ হয়ে গেছে। শেষে এসে কোনো কোনো দলের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও আমরা তাদের যুক্ত করতে পারিনি।”
জোটে যোগদান নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে গত দুইদিনে এনসিপির শীর্ষ পর্যায়ের দুই নেতা—তাসনিম জারা ও তাসনূভা জাবীন—পদত্যাগ করেছেন। এছাড়া আরও ত্রিশজন নেতা এনসিপির নাহিদ ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।
জামায়াতের আমির বলেন, “আমরা কিসের ভিত্তিতে একত্রিত হয়েছি, আমাদের লক্ষ্যের কথা আমরা বলেছি, এটা আমাদের একটি মজবুত নির্বাচনি সমঝোতা। সারা বাংলাদেশের তিনশ আসনে আমরা বসে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন আসন নিজেদের মধ্যে আমরা নির্ধারণ করেছি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আমাদের সমঝোতা অলমোস্ট কম্পিলিট। কয়েকটি জায়গায় মনোনয়নের বিষয়টি চূড়ান্ত না হলেও সেটি মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর চূড়ান্ত করা হবে। এটি নিয়ে কোন সমস্যা হবে না।”
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, “আমাদের হাতে দেড় মাসের কম সময় আছে। আমরা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। ভোটের তারিখ যেন হেরফের না হয়। এ জন্য আমরা সহযোগিতা চাই।”
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ৮ দলীয় জোট অক্ষুণ্নই থাকবে। এনসিপি কমপক্ষে ৩০টি আসন নিয়ে জোটে অংশ নেবে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন (হাতপাখা) আসন সংখ্যা এনসিপির কাছাকাছিই থাকবে। এর আগে তারা ১২০ আসন না হলে জোট ছাড়ার হুমকি দিয়েছিল।





