শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দেশের বিচার ব্যবস্থার শীর্ষ পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর গ্রহণ করেছেন ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।
গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে তিনি ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট শপথ গ্রহণ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সৈয়দ রেফাত আহমেদ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াডাম কলেজ থেকে আইন বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি থেকে মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর সঙ্গে কাজ করেছেন।
তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকা জেলা আদালতে এবং ১৯৮৬ সালে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং দুই বছর পর স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ প্রথিতযশা আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ এবং ভাষা সৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশে প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক ড. সুফিয়া আহমেদের সন্তান। ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ দুই দফায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বিচার ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। এর আওতায় বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় গঠন, বিচারক নিয়োগ ও সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।





