আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল প্রকাশের পর, অন্তর্বর্তী সরকার সবাইকে বৈধ ও অনুমোদিত ছাড়া কোনো জনসমাবেশ বা আন্দোলন না করার জন্য সতর্ক করেছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “আমরা এখন নির্বাচনের সময়ের মধ্যে প্রবেশ করেছি। যেকোনো দাবি-দাওয়া নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপন করার জন্যই গ্রহণযোগ্য। তাই জনগণকে শান্তিপূর্ণভাবে অপেক্ষা করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নির্বাচনের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সব বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যাদের মধ্যে এক রেকর্ডসংখ্যক দেড় লাখ পুলিশ সদস্য নির্বাচনি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যেকোনো বেআইনি বা অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইনভঙ্গকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমরা জানি, অনেকেরই ন্যায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে। গত দুই বছরে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দুই হাজারেরও বেশি আন্দোলন ও বিক্ষোভে মানুষ তাদের দাবি উপস্থাপন করেছেন। সরকার সবসময়ই ন্যায্য দাবিতে সাড়া দিয়েছে এবং সমস্যা সমাধানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করি, এই সময়ের মধ্যে কেউ উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কাজ বা সাধারণ নির্বাচনি পরিবেশে ব্যাঘাত ঘটাবে না। সকলকে শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”





