মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, এই সাক্ষাৎটি তার বিদায়ী বৈঠক হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান বিচারপতির খাসকামরায় প্রায় এক ঘণ্টা চলা বৈঠকে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়।
সিইসি সরাসরি নির্বাচন কমিশন থেকে সুপ্রিম কোর্টে আসেন। সেখানে রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী তাকে স্বাগত জানান। সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আমি সৌজন্য সাক্ষাতে এসেছি। উনি এ মাসে অবসর গ্রহণ করছেন। আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, তাই বিদায়ী সাক্ষাৎটি ছিল।”
নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো মামলা বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি—এ কথাও তিনি স্পষ্ট করেন।
এদিন নিজের দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, স্থগিত কোনো দলের প্রতীক পোস্টাল ব্যালটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তিনি জানান, ভোটের তফসিল ঘোষণার সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা উপলক্ষে তার ভাষণও চূড়ান্ত হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারকে রেকর্ডিংয়ের জন্য ১০ ডিসেম্বর উপস্থিত হওয়ার জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সিইসি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন ভোটের তফসিল ঘোষণার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। পোস্টাল ব্যালটে স্থগিত কোনো দলের প্রতীক থাকবে না।”
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন জানায়, আগামী বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন সিইসি ও অন্যান্য কমিশনাররা। ঐ সাক্ষাতের পর সাধারণত নির্বাচনের তফসিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
এর আগে রোববার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি নাসির উদ্দিন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি বিষয়ে অবহিত করেন।
গত ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, চলতি সপ্তাহে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হবে।





