বুধবার, ৬ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জাতীয়র নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য এমনটাই প্রত্যাশা জার্মানির

বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করে জার্মানি।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ডিক্যাব টকে জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটৎস এই প্রত্যাশার কথা জানান।

জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা। একই সঙ্গে আমরা আশা করি ভোটার উপস্থিতি বেশি হবে। প্রধান উপদেষ্টা ৬০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতির কথা বলেছেন, সেটা আমরাও প্রত্যাশা করি। ভোটের ক্যাম্পেইন চলাকালীন রাজনৈতিক সহিংসতা যেন কম হয়, সেটাও আমাদের প্রত্যাশা।

ভোটার উপস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রুডিগার লোটৎস বলেন, বিভিন্ন দেশে ভোটার উপস্থিতি বিভিন্ন ধরনের হয়। পশ্চিমা দেশগুলোতে সাধারণত ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণ করে। এটি হলে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকে না। যত বেশি ভোটার অংশগ্রহণ করবে, ততই ভালো। ভালো ভোটার উপস্থিতি বলতে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশও যথেষ্ট।

নির্বাচনের পরও সংস্কার প্রক্রিয়া চলার পক্ষে মত প্রকাশ করেন জার্মান রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, যে সংস্কার প্রক্রিয়া চলছে, তা খুব গুরুত্বপূর্ণ—নিরাপত্তা, আইনের শাসন, রাজনৈতিক বন্দোবস্ত। আমরা স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি, আরও বেশি রাজনৈতিক স্বচ্ছতা আসবে, দুর্নীতি কমবে এবং আরও দক্ষ সরকার ও সুশাসন গড়ে উঠবে। এগুলো হলে সহায়ক বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে উঠবে। আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে এবং এটি নির্বাচনের পরও চলবে। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলার সময় আমরা সংস্কারের গুরুত্ব জানিয়েছি।

রুডিগার লোটৎস বলেন, জুলাই চার্টার হলো একটি স্পষ্ট অঙ্গীকার, যেখানে সবকিছু পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডিক্যাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিনের সভাপতিত্বে ডিক্যাব টকে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান মামুন।

শেয়ার করুন