রাজনীতি এখন দ্রুত পাল্টাচ্ছে। ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন যে আশার স্ফুলিঙ্গ জ্বালিয়েছিল, তা এখনো স্থায়ী রাজনৈতিক রূপ পায়নি। অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু শুধু তারিখ ঘোষণা করাই যথেষ্ট নয়। প্রশ্ন হলো এই নির্বাচন কি সত্যিই গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারবে?
একসময়ের শক্তিশালী আওয়ামী লীগ জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় কার্যক্রম স্থগিত দেখছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী আদালতের রায়ে আবার রাজনৈতিক ময়দানে ফিরে এসেছে। এসব পরিবর্তন আমাদের পুরোনো অভিজ্ঞতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয় যে এক দলের পতন অন্য দলের জন্য জায়গা খুলে দেয়; কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য খুব কমই কিছু বদলায়।





