শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ফেনীর তিন স্থানে ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ফেনীর তিন স্থানে ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ফেনীর তিনটি স্থানে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুসল্লিদের একটি অংশ প্রতি বছরের মতো এবারও একদিন আগে এই উৎসব পালন করছেন।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে পৃথক তিনটি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

ফেনী সদর উপজেলার ফরহাদনগর ইউনিয়নের পূর্ব সুলতানপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি স্থানে এবং পরশুরাম পৌরসভার কোলাপাড়া এলাকার একটি স্থানে অনুষ্ঠিত হয় ঈদ জামাত।

জামাতে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরহাদনগর ইউনিয়নের পূর্ব সুলতানপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সুলতানপুর শাহ আমানিয়া জাহাগিরিয়া দরবার শরীফের মাওলানা মোহাম্মদ গোলাম নবীর ইমামতিতে সকালে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

মাওলানা মোহাম্মদ গোলাম নবী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নয়, বরং হাদিসের ব্যাখ্যা ও শরিয়তের বিধান অনুযায়ী আমরা ঈদ উদযাপন করছি। সকাল থেকে মুসল্লিরা উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদগাহে আসতে শুরু করেন। সুশৃঙ্খলভাবে নামাজ শেষ হয়েছে।

একইসময় গ্রামের অপর একটি অংশ পূর্ব সুলতানপুর রশিদিয়া দরবার শরীফের মরহুম মাওলানা গোলাম কিবরিয়া পীরমিয়ার ছেলে মুহাম্মদ সুলতান মাহমুদের নেতৃত্বে আরেকটি জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

ঈদ জামাতে অংশ নেওয়া মুসল্লি আশরাফুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঈদ উদযাপনে এসেছি। পৃথিবীর যেকোনো একটি স্থানে চাঁদ দেখা গেলেই আমরা ঈদ উদযাপন করি। শরিয়তের বিধান ও আমাদের বিশ্বাস অনুযায়ী অন্যান্য বিষয়গুলোও একই রীতিতে মানার চেষ্টা করি। ঈদুল ফিতরের মতো ঈদুল আজহাও আমরা একই নিয়মে উদযাপন করি।

এদিকে জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা পরশুরাম পৌর এলাকার কোলাপাড়া ছয়ঘরিয়া এলাকায় একটি স্থানেও ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বিষয়ে পরশুরাম থানার ওসি মো. আশরাফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পৌর এলাকার কোলাপাড়া ছয়ঘরিয়া এলাকায় ৭-৮ জন মুসল্লি ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়েছেন। জামাত ঘিরে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন