সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শুক্রবার ভোরবেলার মধ্যেই জাতি নির্বাচনের রায় পাবে, আশা সালাহউদ্দিনের

শুক্রবার ভোরবেলার মধ্যেই জাতি নির্বাচনের রায় পাবে, আশা সালাহউদ্দিনের

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনে দলের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আমি অনেকগুলো কেন্দ্র ঘুরে দেখেছি, মানুষের মধ্যে একটা ঈদের আমেজ ও আনন্দ উচ্ছ্বাস দেখলাম। ভোট দেওয়ার পরেও তারা কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষা করছে, উৎসব উৎসব লাগছে তাদের কাছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে এসব কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি শুক্রবার ভোরবেলার মধ্যেই সমগ্র জাতি এই নির্বাচনের রায় পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমি খুবই খুশি এবং আনন্দিত, আমার মত সবাই আনন্দিত, সব ভোটার আনন্দিত আমার মনে হয়, যে দীর্ঘ ১৭ বছর পরে এই রকম একটা পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য এই জাতি অপেক্ষা করছিল। সমগ্র জনগণ সংগ্রাম করেছে আন্দোলন করে রক্ত দিয়েছে আজকের জন্য, এই সেই আজকের দিন যে দিনটা আগামীর বাংলাদেশ গঠনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, মানুষের আজকের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন করবে, ইতিহাসের বাক বদলে দেওয়া শুরু হয়েছে। এখান থেকে আমরা সবাই তার সাক্ষী। যাই হোক আশা করি শেষ পর্যন্ত পর্যন্ত সবকিছু শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হবে। মানুষ ভোট দিতে পারবে এবং ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (শুক্রবার) ভোরবেলার মধ্যেই আশা করি সমগ্র জাতি এই নির্বাচনের রায় পাবে।

সাইবার বুলিংয়ের বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বেশি গুজব সৃষ্টি বা প্রতিদ্বন্দ্বী যারা আছে জামায়াতের বিশেষ করে না কিছু মহল আছে যে অস্বাভাবিক পন্থায় অথবা পেছনের রাস্তায় অথবা কোনো অগণতান্ত্রিক পন্থায় তারা তাদের উচ্চাবিলাস বা উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে চায় ক্ষমতায় যাওয়ার। সেটা আমরা দেখেছি গত কয়েকদিনে তবে বাংলাদেশের মানুষ সেটা প্রত্যাখ্যান করেছে, করবে।

সাইবার বুলিং এখন ডিস ইনফরমেশনের এবং মিস ইনফরমেশন বলব না ডিস ইনফরমেশন বলব- এগুলোর একটা পার্ট হয়ে গেছে। এগুলোর কাউন্টার দেওয়ার মত অন্য প্রক্রিয়া বের করতে হবে।  এগুলো সামনেও থাকবে, এখনো আছে। অতীতে এই সাইবার বুলিং যখন থেকে শুরু হয়ে তখন রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে এবং যারা মিডিয়া জগতের লোক তারা এগুলো কাউন্টার করার জন্য চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন খুবই আন্তরিক ছিল যাতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন রকমের গুজব বা ডিস ইনফরমেশন ছড়াচ্ছে সেটাকে কীভাবে কাউন্টার করা যায়। আমার মনে হয় শতভাগ না পারলেও শতকরা আশি ভাগ বা তারও বেশি সাকসেসফুল হয়েছে। আমরা দেখছি জনগণের বিজয়, জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, যেটা শক্তিশালী হবে এবং এখন থেকে যে নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শক্তিশালীকরণের প্রক্রিয়া শুরু হলো, সেটা যেন অব্যাহত থাকে। এটাই আমাদের প্রত্যাশা, অঙ্গীকার, প্রতিশ্রুতি।

বক্তব্য দেওয়ার আগে সকালে সালাহউদ্দিন আহমদ পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনিস্টিটিউশন কেন্দ্রে গণতান্ত্রিক চর্চায় লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট প্রদান করেন।

শেয়ার করুন