ইরানের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র কোন ধরনের পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করেছেন ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বলা হয়েছে, কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, হস্তক্ষেপের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া, সাইবার হামলা এবং মনস্তাত্ত্বিক কার্যক্রম। এই প্রস্তাব ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।
গত মাসে ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যে এই বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিলে প্রায় ছয়শর বেশি মানুষ প্রাণ হারান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি ইরান সরকার বিক্ষোভকারীদের দমন করতে প্রাণহানি ঘটায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে।
ইরানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করবে, তাদের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
এই পরিস্থিতিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে তারা প্রস্তুত, তবে একই সঙ্গে যে কোনো সামরিক হুমকির মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত রয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করবেন। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান যে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে, তাতেও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে কার্যক্রম শুরু হবে।





