আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী ও বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং বাহিনীগুলোর কার্যক্রম সমন্বিতভাবে পরিচালনার কৌশল নির্ধারণই এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে (কক্ষ নম্বর–৫২০) এই বৈঠক শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সচিবসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মো. মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমন্বয় সভার বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সভার সময়সূচি ও অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য উল্লেখ করা হয়।
এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারাও এতে যোগ দিয়েছেন।
এদের মধ্যে রয়েছেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই), ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই), জাতীয় টেলিযোগাযোগ মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী ও সংস্থার প্রতিনিধিরা।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, বৈঠকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সম্ভাব্য গণভোট চলাকালে মাঠপর্যায়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান জোরদার, গোয়েন্দা কার্যক্রম সমন্বয় এবং একটি কার্যকর নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।





