মানিকগঞ্জ-১ আসনের রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেছে একটি নাম—মোঃ ইলিয়াস হুসাইন। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে ‘ট্রাক’ প্রতীক নিয়ে তিনি এবার সংসদ নির্বাচনে মাঠে নেমেছেন। তবে তাকে নিয়ে আলোচনা শুধু নির্বাচনকেন্দ্রিক নয়—তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডই আজ তাকে সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।
প্রবাসে থেকেও দেশের মানুষের জন্য জীবন
ইলিয়াস হুসাইন এমন একজন মানুষ, যিনি প্রবাসে থেকেও দেশের মাটি ভুলে যাননি। জীবিকার তাগিদে বিদেশে থাকলেও হৃদয়ের ঠিকানা ছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ-এর মাধ্যমে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন ছায়ার মতো।
অসুস্থ প্রবাসীর চিকিৎসা সহায়তা, কর্মহীনদের পাশে দাঁড়ানো, এমনকি প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকের মরদেহ দেশে পাঠানোর মতো কঠিন মানবিক দায়িত্বেও তাকে দেখা গেছে অগ্রভাগে।
মানবিকতার কাজে নীরব সৈনিক
নিজের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন সহায়তার এক নীরব চেইন
এতিমখানা, মসজিদ, মাদ্রাসা, দরিদ্র রোগীর চিকিৎসা—সবখানেই তার অবদান রয়েছে, কিন্তু প্রচার নেই। তার কাছে কেউ সাহায্য চাইলে তিনি কখনো হিসাব করেননি—মানুষটাই ছিল তার মূল পরিচয়।
মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ঈদে অসহায়দের উপহার—এসব যেন তার জীবনের স্বাভাবিক অংশ।
রাজনীতিতে আসার কারণ ইলিয়াস হুসাইন বলেন, আমি রাজনীতিতে এসেছি ক্ষমতার জন্য নয়, এসেছি মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য।
দুর্নীতি, বৈষম্য আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই আমার এই পথচলা।”
দুর্নীতির প্রশ্নে তার অবস্থান স্পষ্ট—জিরো টলারেন্স। ব্যক্তিগত জীবনে আল্লাহভীরু ও সৎ থাকার চেষ্টা তাকে রাজনীতিতেও করেছে আপসহীন।
ইলিয়াস হুসাইনের কণ্ঠে নির্বাচনী মাঠে তিনি বলেন— “মানিকগঞ্জ-১ আসনের মানুষ আমাকে নেতা নয়, আপনজন হিসেবে দেখেছে।
আমি কথা দিচ্ছি—এই এলাকার একটি টাকাও লুটপাট হতে দেব না।
শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান আর নিরাপদ জীবন—এই চারটি বিষয় হবে আমার প্রধান অগ্রাধিকার।
তিনি আরও বলেন, “সংসদে গেলে আমি শুধু মানিকগঞ্জের কথা বলব না, বলব অবহেলিত মানুষের কথা—যাদের কণ্ঠ কখনো শোনা হয় না।”
প্রবাসীদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা
প্রবাসীদের উদ্দেশে ইলিয়াস হুসাইনের বার্তা—“প্রবাসে আপনারা দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি, কিন্তু সবচেয়ে বেশি অবহেলিত।
আমি নিজে প্রবাসী ছিলাম বলেই আপনাদের কষ্ট বুঝি। সংসদে গেলে প্রবাসীদের অধিকার, হয়রানি বন্ধ এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে আমি জোরালো ভূমিকা রাখব ইনশাআল্লাহ।”
জনতার বিশ্বাস, পরিবর্তনের আশা
মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাধারণ মানুষের বিশ্বাস—যিনি জীবনের বড় অংশ মানুষের জন্য বিলিয়ে দিয়েছেন,যিনি দান করে নয়, দায়িত্ব মনে করে পাশে দাঁড়িয়েছেন—তিনিই পারবেন একটি মানবিক, আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত মানিকগঞ্জ গড়তে।
ট্রাক প্রতীকের পক্ষে এখন শুধু পোস্টার নয়—মানুষের মুখে মুখে ফিরছে পরিবর্তনের গল্প।





