মার্কিন বিশেষ বাহিনীর অভিযান শেষে গ্রেফতার হওয়া ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মাদক পাচারের অভিযোগে নিউইয়র্কের একটি আদালতে তোলা হচ্ছে। একই সঙ্গে এই অভিযান ও গ্রেফতারের বৈধতা যাচাই করতে জাতিসংঘে আলোচনা শুরু হয়েছে, বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৮৯ সালের পানামা আগ্রাসনের পর এটি লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সপ্তাহের শুরুতে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে কারাকাসে অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে আটক করা হয়।
মাদুরোর গ্রেফতারের পরও ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রক্ষমতা তার অনুগত কর্মকর্তাদের হাতে রয়েছে। ইতোমধ্যে ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
প্রাথমিকভাবে মাদুরোর গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়ে তিনি এটিকে ‘উপনিবেশিক তেল দখল’ ও ‘অপহরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তবে রোববার তার সুর পরিবর্তিত হয়েছে। ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, এখন তার অগ্রাধিকার হলো ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্মানজনক ও সমন্বিত সম্পর্ক তৈরি করা।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলা যদি তেল খাত উন্মুক্ত না করে এবং মাদক পাচার বন্ধে সহযোগিতা না করে, তবে তিনি আরও সামরিক হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। একই সঙ্গে ট্রাম্প কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন এবং কিউবার কমিউনিস্ট সরকার ‘নিজ থেকেই পতনের পথে’ বলেও মন্তব্য করেছেন।





