বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নতুন বছরে শিশুর ঘর সাজান অনন্যভাবে, ছোট্ট স্পেসেও হোক শিল্পের ছোঁয়া

বাড়ির ছোট সদস্যের ঘর মানেই অবহেলার সুযোগ নয়। বরং এটি তার মানসিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। নতুন বছর শুরু হওয়ায় শিশুর ঘর এমনভাবে সাজানো উচিত, যাতে সীমিত পরিসরে তৈরি হয় এক রূপকথার পরিবেশ। ঘরটি শিশুর মনের মতো করে সাজানো হলে সে সেখানে আনন্দ ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে।

শিশুর ঘর সাজানোর সময় প্রথমেই বিবেচনা করতে হবে তার বয়স। খুদের বয়স অনুযায়ী ঘরের রঙ, আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র নির্বাচন করা জরুরি। ঘরের দেওয়াল, বিছানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ফার্নিচার এমনভাবে রাখতে হবে যাতে ঘরটি অনন্য এবং আরামদায়ক হয়।

দেওয়ালের রং শিশুর মনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাই শিশুর ঘরের দেওয়াল উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত রঙের হওয়া উচিত। চাইলে একটি দেওয়াল গাঢ় রঙের করে বাকি দেওয়ালে একই রঙের হালকা ছায়া ব্যবহার করা যেতে পারে। এর ফলে ঘরটি আরও আকর্ষণীয় দেখাবে।

মেঝের পরিসর যথেষ্ট বড় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেলাধুলার জন্য শিশুর যথেষ্ট জায়গা থাকা উচিত। ঘরের আসবাবপত্র দেওয়ালে ফিট করা হলে খেলার জন্য আরও খোলা জায়গা থাকবে। ঘরের এক কোণে একটি টেবিল রাখুন, যার ওপর তাকের ব্যবস্থা থাকবে। তাকের মধ্যে শিশুর বইপত্র রাখা যেতে পারে। এছাড়াও টেবিলে একটি কম্পিউটার, কলমদানি ও প্রয়োজনীয় বই রাখা যায়। পাশে একটি ছোট indoor গাছ রাখলেও ঘরের পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হবে। দেওয়ালে হালকা ও স্নিগ্ধ আলোয়ের বিন্যাস শিশুর পড়াশোনা ও খেলার সময় আলো নিশ্চিত করবে।

ঘরের অন্য একটি কোণে আলমারি স্থাপন করা যেতে পারে। আলমারির বাইরে ও ভিতরে শিশুর পছন্দমতো স্টিকার লাগানো গেলে ঘরটি আরও আকর্ষণীয় হবে। দুটি দেওয়ালের মধ্যবর্তী কোনায় সুন্দর তাক রাখলে তা ঘরের সাজসজ্জাকে সম্পূর্ণ করবে এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহজে রাখা যাবে।

ছাদটিকে রূপকথার আকাশ বানানো যেতে পারে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের স্টিকার পাওয়া যায়, যেমন চাঁদ, তারা ও নক্ষত্র। সেগুলো ছাদের ওপর লাগালে শিশুর মন খুব আনন্দিত হবে। এছাড়া ঘরের আলো যেন পর্যাপ্ত থাকে, যাতে শিশুটি তার পছন্দমতো ঘরের যেকোনো অংশে বসে পড়াশোনা বা খেলা করতে পারে।

শেয়ার করুন