সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম রয়্যালস সব উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০২ রান করতে সক্ষম হয়। জবাবে রংপুর রাইডার্স সহজ লক্ষ্যকে তাড়াতাড়ি পূর্ণ করে ৩০ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে।
রংপুর রাইডার্সের ওপেনার লিটন কুমার দাস ও ডেভিড মালান সহজ লক্ষ্যে কোনো চাপই অনুভব করেননি। শুরুতে তারা স্থিরভাবে খেলে সময় গড়ার পর চট্টগ্রামের বোলারদের ওপর আক্রমণ বাড়াতে থাকেন। একের পর এক চার ও ছক্কার সাহায্যে রান তোলেন তারা।
লিটন কুমার দাস ফিফটির পথে ছিলেন, তবে ৩ রানের ব্যবধানে তা পূর্ণ করতে পারেননি। ৩১ বলে ৪৭ রান করে আউট হন তিনি। পরবর্তী ব্যাটসম্যান তাৌহিদ হৃদয় মাত্র ১ রান সংগ্রহ করতে পারেন। অন্যদিকে, ডেভিড মালান ৪৮ বলে ৫১ রান করে ফিফটি তুলে নেন। এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও খুশদিল শাহ নেমে জয় নিশ্চিত করেন; মাহমুদউল্লাহ ১ রান করে অপরাজিত থাকেন, খুশদিল ৬ রান করে মাঠ ছাড়েন না।
চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ব্যাট করতে আমন্ত্রণ জানান রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। শুরুতে নাহিদ রানার প্রথম বলেই ইংলিশ ব্যাটসম্যান অ্যাডাম রশিংটন আউট হন, এক রান করে।
দ্বিতীয় উইকেটে মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও মির্জা বেগ কিছুটা স্থিতিশীলতা আনেন। তবে কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। নাঈম ২০ বলে ৩৯ রান, মির্জা বেগ ২৪ বলে ২০ রান করে আউট হন।
এরপর ফাহিম আশরাফ ও মুস্তাফিজুর রহমানের ধারাবাহিক বোলিং তোপে চট্টগ্রামের ব্যাটিং লাইন ভয়েসাপেক্ষ হয়ে পড়ে। শেষ আট ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মাত্র একজন দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। আবু হায়দার রনি ২১ বলে ১৩ রান করেন। অন্যরা ছিলেন মাহমুদুল হাসান জয় ০, মাহফিজুল ইসলাম ১, মাসুদ গুরবাজ ৯, শেখ মেহেদী হাসান ১, তানভীর ইসলাম ৬, শরিফুল ইসলাম ৬ ও মুকিদুল ইসলাম ১ রান।
রংপুর রাইডার্সের বোলিংয়ে ফাহিম আশরাফ সবচেয়ে সফল; তিনি একাই পাঁচটি উইকেট নিয়েছেন। দুইটি উইকেট পান মোস্তাফিজুর রহমান, এছাড়া তিনজন বোলার পৃথকভাবে একটি করে উইকেট নেন।





