ম্যাচে পরাজয়ের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নোয়াখালীর অধিনায়ক অঙ্কন ম্যাচশেষ সংবাদ সম্মেলনে জানান, মাঠ ও আবহাওয়ার পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে শুরুতেই বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে তার দলকে। তিনি বলেন, এ মাঠে ইনিংসের শুরুতে বল উল্লেখযোগ্যভাবে নড়াচড়া করে, বিশেষ করে প্রথম কয়েক ওভারে ব্যাটিং করা নতুন খেলোয়াড়দের জন্য কাজটি কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ফলে দলের সবাই প্রত্যাশিতভাবে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারেননি।
অঙ্কনের ভাষ্য, পুরো ম্যাচ জুড়েই তাদের বিশ্বাস ছিল, যদি ব্যাটিংয়ে একটি বড় জুটি গড়ে তোলা যায় এবং বোলিংয়ে সময়মতো গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পাওয়া যায়, তাহলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত। তবে ভাগ্যের সহায়তা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত জয় অধরাই থেকে যায় বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবুও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নোয়াখালী দল ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা রাখে।
ওভার রেটের কারণে শেষ দিকে বাড়তি চাপ তৈরি হয় বলেও জানান এই ক্রিকেটার। নির্ধারিত সময়ে ওভার শেষ করতে না পারায় পেনাল্টি হিসেবে একজন অতিরিক্ত ফিল্ডারকে বৃত্তের ভেতরে রাখতে হয়, যা বোলারদের জন্য পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে। অঙ্কনের মতে, শিশিরের প্রভাবও ছিল উল্লেখযোগ্য, ফলে বোলিং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সহজ হয়নি। তবুও শেষ পর্যন্ত জয়ের আশায় ছিলেন তারা, যদিও ফল তাদের পক্ষে আসেনি।
দলের সামর্থ্য নিয়ে আশাবাদী অঙ্কন বলেন, বর্তমান স্কোয়াডে থাকা খেলোয়াড়দের সক্ষমতা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বিশেষ করে টপ অর্ডারের ব্যাটাররা দ্রুত কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও জানান তিনি। বিপিএলের মতো টুর্নামেন্টে এমন উত্থান-পতন স্বাভাবিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক-দুটি ম্যাচের পারফরম্যান্স দিয়ে কাউকে মূল্যায়ন করা ঠিক নয়। সামনে দল হিসেবে আরও সংগঠিত হয়ে শক্তভাবে ফিরে আসার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।





