বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আন্দোলনরত শিক্ষক নেতারা ডিএসসিসির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন

শরিফুল ইসলাম, (বিশেষ প্রতিনিধি):
অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতারা। ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে গত ১৬ অক্টোবর হতে অনশনরত শিক্ষকদের টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য এ আহবান জানানো হয় ।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১১ টায় বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব মোঃ রবিউল ইসলাম এ আহ্বান জানান।
জানাযায়, বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতকরা ৯৭ ভাগ শিক্ষক সরকারি এমপিওভুক্ত।এসব শিক্ষকরা তাদের  শতভাগ বেতন সরকার থেকে পান। তবে দক্ষিণ এশিয়ার সর্বনিম্ন বেতন পাওয়া এসব শিক্ষক বাড়িভাড়া ও চিকিৎসাভাতাসহ অন্যান্য ভাতা পান অতি সামান্য ।তাই তারা দীর্ঘদিন যাবৎ এসব ভাতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ অক্টোবর হতে জাতীয় প্রেসক্লাবে তাদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। তবে পুলিশের অনুরোধে কর্মসূচিটি গত ১৬ অক্টোবরে হতে প্রেসক্লাবের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে স্থানান্তর করা হয়। এদিকে সরকারের পক্ষ হতে গ্রহণযোগ্য কোনো প্রস্তাব না আসায় এ আন্দোলন আরোও তীব্রতর হতে থাকে। দাবি আদায় না হওয়ায় ইতোমধ্যে শিক্ষকরা আমরণ অনশন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন।
বিপুল সংখ্যক পেশাদার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলন হওয়ায় এতে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটে। এছাড়া প্রতিদিন অনশনকারী শিক্ষকের সংখ্যা আরও বেড়েই চলেছে। ফলে এ এলাকায় অনশনকারীদের টয়লেট সংকট দেখা দিয়েছে । তাই ন্যায্য দাবিতে অনশনকারী বাংলাদেশী শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বা তার আশেপাশের এলাকায়  অস্হায়ী কিছু ভ্রাম্যমাণ টয়লেট নির্মাণের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ।
এছাড়া পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী তাদের মূল  বেতনের ২০শতাংশ বাড়িভাড়া,১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা ও কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৫০ হতে ৭৫ শতাংশে উন্নীত না করা হলে আজ তারা কালো পতাকা মিছিল করবেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তীতে তারা শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে লংমার্চ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে শিক্ষার্থীদের সামান্য দাবি না মানায় বাংলার প্রভাবশালী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন হয়েছিলো। এ বছর শিক্ষক আন্দোলনেও এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশংকা করেছেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক এমপি গোলাম মওলা রনিসহ সংশ্লিষ্টরা ।
শেয়ার করুন