বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট লক করে নিরাপত্তা বাড়াবেন যেভাবে

বর্তমানে স্মার্টফোনে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। এই উদ্বেগ মাথায় রেখেই হোয়াটসঅ্যাপ চালু করেছে চ্যাট লক ফিচার, যা ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট চ্যাট আলাদা করে লক করতে দেয়। ফলে ফোন হাতে পেলেও অন্য কেউ সেই চ্যাটে প্রবেশ করতে পারবে না, এবং ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল কথোপকথন সুরক্ষিত থাকবে।

চ্যাট লক ফিচার ব্যবহার করলে নির্দিষ্ট চ্যাট সাধারণ চ্যাট লিস্ট থেকে সরিয়ে একটি আলাদা লকড ফোল্ডারে চলে যায়। ফোল্ডার খোলার জন্য প্রয়োজন হয় ফোনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আইডি বা পাসকোড। ফলে ফোন আনলক থাকলেও চ্যাটগুলো অতিরিক্ত নিরাপত্তার আওতায় থাকে।

চ্যাট লক করতে, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ খুলে লক করতে চাওয়া চ্যাটটি কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখতে হবে। এরপর উপরের লক আইকন বা চ্যাট প্রোফাইল অপশনে গিয়ে চ্যাট লক অপশন নির্বাচন করতে হবে এবং ফোনের বায়োমেট্রিক বা পাসকোড দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে।

লক করা চ্যাটের নোটিফিকেশনও সীমিত হয়; নতুন মেসেজ আসলে কনটেন্ট দেখা যায় না, শুধু “নিউ মেসেজ” লেখা দেখায়। এতে আশপাশের কেউ সহজে বুঝতে পারে না কে বা কী বিষয়ে মেসেজ পাঠিয়েছে।

নতুন আপডেটে সিক্রেট কোড ফর লকড চ্যাটস সুবিধা এসেছে। ব্যবহারকারী নিজের কোড সেট করতে পারবেন, যা ছাড়া লকড চ্যাটস ফোল্ডার খুঁজে পাওয়া যাবে না। চ্যাট সার্চ করলেও তা দেখা যাবে না, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয়।

লক করা চ্যাট আনলক করতেও প্রক্রিয়া সহজ। লকড ফোল্ডারে ঢুকে নির্দিষ্ট চ্যাট নির্বাচন করে আনলক চ্যাট অপশন চাপলেই চ্যাট আবার সাধারণ চ্যাট লিস্টে ফিরে আসে। প্রয়োজনে যেকোনো সময় এই সেটিং পরিবর্তন করা যায়।

হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট লক ফিচার অফিসিয়াল কাজ, ব্যক্তিগত আলোচনা বা সংবেদনশীল তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। যারা চান, শুধুমাত্র তারা তাদের চ্যাট দেখতে পারবেন—ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

শেয়ার করুন