ভেনেজুয়েলায় হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চলের আকাশসীমায় আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এ বিষয়ে মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, “ক্যারিবীয় আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত বিধিনিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে।”
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো আটক হওয়ার পর বড় এয়ারলাইনসগুলো শত শত ফ্লাইট বাতিল করেছিল। তবে নিষেধাজ্ঞা উঠার পর প্রধান এয়ারলাইনসগুলো পুনরায় ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “স্থানীয় সময় শনিবার রাতেই পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ানে একটি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। রোববারের জন্য নির্ধারিত অধিকাংশ ফ্লাইট আমরা পরিচালনা করতে পারবো বলে আশা করছি।”
ডেল্টা এয়ার লাইন্স জানিয়েছে, তারা রোববার থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চলে তাদের স্বাভাবিক ফ্লাইট সূচি অনুযায়ী উড়ান পরিচালনা করবে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে সম্পদ পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
অন্যদিকে আমেরিকান এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, তারা পূর্ব ক্যারিবীয় আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিচ্ছে এবং নির্ধারিত ফ্লাইট চালুর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে যাতায়াতের জন্য অতিরিক্ত ৩,৭০০টির বেশি আসন যুক্ত করেছে। এয়ারলাইনটি জানায়, “যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে আমরা অতিরিক্ত ফ্লাইট চালু করছি এবং বড় আকারের উড়োজাহাজ, এমনকি ওয়াইডবডি বিমানও ব্যবহার করছি, যাতে যতটা সম্ভব যাত্রী পরিবহন করা যায়।”
ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) পূর্বে উড়ান নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে আমেরিকান, ডেল্টা, ইউনাইটেড, ফ্রন্টিয়ার, স্পিরিট ও জেটব্লু এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল করেছিল। জেটব্লু একাই ২১৫টি ফ্লাইট বাতিল করেছে।
বিমান পরিবহন বিশ্লেষক রবার্ট ম্যান জানাচ্ছেন, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরও এয়ারলাইনগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে কয়েক দিন সময় লাগবে, কারণ “ক্যারিবীয় অঞ্চলে এরেই মধ্যে এক দিনের যাত্রী আটকে পড়েছেন।”
এছাড়া এফএএ বাইরের এয়ারলাইনগুলোকেও সতর্ক করেছে, যাতে তারা ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা এড়িয়ে উড়ান পরিচালনা করে।
সূত্র: রয়টার্স





