মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর প্রকাশ

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টার দিকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরটি আল জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স, এপি,দ্য ডন, এনডিটিভি এবং দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশের রাজনীতির এক প্রভাবশালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। রাজনৈতিক বৈরিতা এবং সেনাশাসন বিরোধী আন্দোলনে তার আপসহীন ভূমিকার কথা তারা বিশেষভাবে তুলে ধরেছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী’ বেগম খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসসহ দীর্ঘদিনের বহুমুখী অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে আজ ভোরে মারা গেছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ৮০ বছর বয়সে মারা গেছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার সকালে ইন্তেকাল করেন। বিএনপির পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এএফপির প্রতিবেদনে বিএনপির বিবৃতি উদ্ধৃত করে বলা হয়, “বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের নামাজের পর ইন্তেকাল করেছেন। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।”

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলছে, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মারা গেছেন।  মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) তার দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ তথ্য জানিয়েছে।

৮০ বছর বয়সি খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের সমস্যা ছিল বলে তার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

দ্য হিন্দু ও এনডিটিভি জানিয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশে একটি শূন্যতা তৈরি হলো। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত নভেম্বরে হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল এবং সবশেষ তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে ‘নাটকীয়’ এবং ‘সংগ্রামময়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

শেয়ার করুন