তবে IELTS কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পরিসংখ্যান সম্পূর্ণ ভুল। যুক্তরাজ্যজুড়ে হাজার হাজার অভিবাসী ও শিক্ষার্থীর আতঙ্ক দূর করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা ও মূল্যায়ন বিভাগের পরিচালক ড. অ্যাঞ্জেল গুরিয়া-কুইন্টানা বলেন, “দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনটি ভুল। হাজার হাজার অভিবাসীকে ভুল পরীক্ষার স্কোরের ভিত্তিতে যুক্তরাজ্যের ভিসা দেওয়া হয়নি। আমরা টেলিগ্রাফের কাছে সংশোধনের অনুরোধ করেছি।”
যুক্তরাজ্যে ভিসা প্রদানে ইংরেজি দক্ষতার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। ২০১৪ সালে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান ETS TOEIC-এর কেলেঙ্কারির কারণে বহু অভিবাসী বিতাড়িত হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে হোম অফিস কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছিল। তবে বর্তমানে ৭৮ হাজার ভিসা বাতিলের ঝুঁকির তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে IELTS কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে।
ভুল প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে বসবাসরত কয়েক হাজার ব্যক্তি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট সরাসরি হস্তক্ষেপ করে আশার সঞ্চার করেছে। কারণ হোম অফিসের ইমিগ্রেশন বিধি অনুযায়ী, যেকোনও ভিসা আবেদনে প্রতারণা ধরা পড়লে ভিসা প্রত্যাখ্যান বা বাতিল হতে পারে, যা বিশেষত জালিয়াতি বা মিথ্যা উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ১০ বছর পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কারণ হতে পারে।
ফলে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্যায়ন বিভাগের প্রেস অফিস দ্রুত জাতীয় দৈনিকটির কাছে প্রকাশিত সংবাদ প্রত্যাহার এবং সংশোধনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।