গাজায় ইসরাইলি দখলদারত্ব শেষ হলে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কাছে অস্ত্র হস্তান্তর করবে উপত্যকার প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাস। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন সশস্ত্র সংগঠনটির আলোচক দলের প্রধান খলিল আল-হায়া।
খলিল আল-হায়া বলেন, ‘দখলদারি ও আগ্রাসনের কারণে আমরা অস্ত্রশস্ত্র রাখছি। দখলদারির অবসান ঘটলে এসব অস্ত্র সার্বভৌম ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের হাতে হস্তান্তর করা হবে।’
তিনি আরও জানান, ‘গাজায় যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ ও সীমান্তে নজরদারির জন্য আমরা জাতিসংঘের বাহিনীকে স্বাগত জানাই। তবে শুধু হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের উদ্দেশ্যে কোনো আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।’
গত ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরাইল নিত্যদিন উপত্যকায় হামলা চালাচ্ছে। শনিবার (৫ ডিসেম্বর) ‘ইয়েলো লাইন’ অতিক্রমের অভিযোগে আবারও নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালায় নেতানিয়াহু সেনারা। পূর্বাঞ্চলে হামলায় বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাসিন্দারা প্রাণ বাঁচাতে শহরের অন্য প্রান্তে আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপনকারীরাও স্থানীয়দের ওপর হামলা চালিয়েছে।
এদিকে, রাফাহ সীমান্ত একপাক্ষিকভাবে খুলে ফিলিস্তিনিদের মিশরে স্থানান্তরের পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছেন মুসলিম দেশগুলোর নেতারা। দোহায় সম্মেলন শেষে যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছেন, ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তি অনুযায়ী রাফাহ সীমান্ত দুই দিক থেকেই খোলা উচিত এবং ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূখণ্ডে পুনর্নির্মাণের বিষয়েও সমর্থন জানানো উচিত।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪





