বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পুরুষ দিবস উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে কর্মসূচি, পুরুষদের স্বাস্থ্য ও অধিকার নিয়ে আলোচনার সুযোগ

আজ আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস পালিত হচ্ছে। প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই দিন উদযাপিত হয়। মূল লক্ষ্য হলো পরিবার, সমাজ ও বিশ্বব্যাপী পুরুষদের ইতিবাচক অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া।

এই বিশেষ দিনে পুরুষদের জীবনের বিভিন্ন দিককে গুরুত্ব দেওয়া হয়। ছেলে ও পুরুষদের স্বাস্থ্য, লিঙ্গ সমতার বিষয়, ইতিবাচক পুরুষ রোল মডেল এবং পুরুষদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান বৈষম্যগুলো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে।

১৯৬০-এর দশকে প্রথমবার পুরুষদের জন্য আলাদা একটি দিবস প্রস্তাব করা হয়েছিল। এরপর ১৯৬৯ সালে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২৩ ফেব্রুয়ারি পুরুষ দিবস হিসেবে পালন করার আগ্রহ দেখা দেয়। তবে ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে এই দিনটি ‘রেড আর্মি অ্যান্ড নেভি ডে’ নামে উদযাপিত হতো, যা সৈনিকদের সাহস ও ত্যাগকে সম্মান জানাত। সেই সময় এটিকে আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

শেষ পর্যন্ত ১৯৯৯ সালে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর ড. জেরোম টিলাকসিংহ আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসের সূচনা করেন। তিনি তার বাবার জন্মদিন এবং দেশের ফুটবল দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে ১৯ নভেম্বর তারিখটি বেছে নেন।

আজ বিশ্বের অনেক দেশে পুরুষ দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি চলে। গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে দিনটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। মূলত প্রত্যাশা থাকে, পুরুষরাও জীবনে প্রয়োজনীয় যত্ন, নিরাপত্তা ও সম্মান পান।

শেয়ার করুন