সৌদি আরবকে এফ–৩৫ আধুনিক যুদ্ধবিমান সরবরাহের বিষয়ে ইতিবাচক মত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। একই সঙ্গে তিনি রিয়াদকে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে “কৌশলগত ও নির্ভরযোগ্য সহযোগী” বলে উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট জানান, সাম্প্রতিক ১২ দিনের ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার সময়ে সৌদির সামরিক সহযোগিতা ছিল গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্ভরযোগ্য।
তার ভাষায়, “সৌদি বাহিনী প্রমাণ করেছে তারা এই অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ধরে রেখেছে। সংকটমুহূর্তে তারা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং শতভাগ সমর্থন দিয়েছে।”
মার্কিন অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্য সামনে আসে এমন এক সময়ে, যখন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সরকারি সফরে ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে পারমাণবিক শক্তি উন্নয়ন এবং এফ–৩৫ বিমান ক্রয়–বিক্রিসহ বৃহৎ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে।
হোয়াইট হাউসের তথ্যানুসারে, দুই পক্ষ পারমাণবিক জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিয়ে একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে সই করেছে, যা দীর্ঘমেয়াদি বিলিয়ন–ডলারের প্রকল্প বাস্তবায়নের আইনি কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। এই চুক্তিতে কঠোরভাবে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ নীতি মেনে চলার কথা উল্লেখ আছে।
এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বৃহৎ সামরিক চুক্তিতে সম্মতি দিয়েছেন, যার আওতায় ভবিষ্যতে সৌদি আরব উন্নত প্রযুক্তির মার্কিন এফ–৩৫ যুদ্ধবিমান পাবে।
ওয়াশিংটন সফরে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেন এবং বলেন, “সৌদি আরব আমেরিকার ভবিষ্যত সম্ভাবনার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখে।”





