সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কুয়ালালামপুরে আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে গুরুত্ব বাণিজ্য ও স্থিতিশীলতায়

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে শুরু হয়েছে পঞ্চম আঞ্চলিক ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব (আরসিইপি) শীর্ষ সম্মেলন এবং ২০তম পূর্ব এশিয়া সম্মেলন (ইএএস)। ২০২৫ সালের আসিয়ান সভাপতিত্বে মালয়েশিয়ার প্রতিপাদ্য ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন’ এর আলোকে অনুষ্ঠিত এই দুটি সম্মেলন ৪৭তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের মূল আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দিবসব্যাপী কর্মসূচিতে আলোচনা হয়েছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণ এবং ডিজিটাল রূপান্তর। এছাড়া উদ্ভাবন, জ্বালানি রূপান্তর এবং যুব বিনিময়ে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে।

সকাল থেকে শুরু হওয়া আসিয়ান–দক্ষিণ কোরিয়া শীর্ষ সম্মেলনআসিয়ান প্লাস থ্রি (ASEAN+3) বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আসিয়ান রাষ্ট্রপ্রধানরা, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এবং চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি।

দুপুরে অনুষ্ঠিত আরসিইপি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়েছে ১৫টি অর্থনীতি, যা বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় এক-তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করে। বিকালে অনুষ্ঠিত পূর্ব এশিয়া সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন আসিয়ান নেতাদের সঙ্গে চীন, জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি।

সন্ধ্যায় ১৫তম আসিয়ান–জাতিসংঘ শীর্ষ সম্মেলনে আলোচ্য বিষয় ছিল আসিয়ান কমিউনিটি ভিশন ২০২৫ এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০। দিনশেষে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও সহধর্মিণী অতিথিদের জন্য আয়োজিত গালা ডিনারে স্বাগত জানাবেন।

২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই সম্মেলনগুলোকে আসিয়ানের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সমাবেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন