সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিদ্যুৎ জামালের সম্পত্তির মূল্য কত? প্রকাশিত পরিসংখ্যান

৪৫ বছরে পা দিলেন অভিনেতা বিদ্যুৎ জামাল। অভিনয়ের প্রশংসা পেলেও মিডিয়ার অতিরিক্ত আলোচনায় থাকতে তিনি বরাবরই অনীহা প্রকাশ করেছেন। তা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত জীবন, উত্থান–পতন ও শারীরিক ফিটনেসের কারণে তিনি মাঝে মধ্যেই শিরোনামে চলে আসেন।

২০২৫ সালে তাঁর অভিনীত মাত্র একটি তামিল ছবি মুক্তি পেয়েছে—‘মাধারাসি’। এর আগের বছর নোরা ফতেহির সঙ্গে তিনি করেছিলেন ‘ক্র্যাক’। কিন্তু ছবিটি দর্শকের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আইবি৭১’ নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। নিয়মিত অভিনয় করলেও প্রায় বছরেই একটি করে ছবিতে দেখা যায় তাঁকে।

অভিনন্দন পাওয়া এই অভিনেতার আয়–সম্পদ নিয়েও কৌতূহল কম নয়। একেকটি ছবিতে বিদ্যুৎ পারিশ্রমিক হিসেবে নিয়ে থাকেন ৩ থেকে ৪ কোটি টাকা। পাশাপাশি নানা ব্র্যান্ডের দূত হিসেবেও কাজ করেন তিনি, যেখানে প্রতিটি চুক্তিতে প্রায় ৩৫–৪০ লাখ টাকা পান। সব মিলিয়ে তাঁর বার্ষিক আয় দাঁড়ায় প্রায় ৭ কোটি টাকার মতো।

২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ক্র্যাক’ ছবিতে শুধু অভিনয় নয়, প্রযোজনাতেও যুক্ত ছিলেন তিনি। তবে ছবিটি বক্স অফিসে সফল হয়নি। প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছবিটি হলে সংগ্রহ করে মাত্র ১৭ কোটি টাকা, ফলে বড় অঙ্কের ক্ষতির মুখে পড়তে হয় তাকে। বিদ্যুৎ নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “অর্থনৈতিক ক্ষতি এতটাই ছিল যে প্রথমেই ভাবছিলাম, কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেব।”

ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তিনি যোগ দেন ফরাসি সার্কাসের প্রশিক্ষণে। টানা ১৪ দিনের কঠোর প্রশিক্ষণের পর দেশে ফিরে বিশেষ ধরনের সেই সার্কাসশৈলী নিয়ে বিভিন্ন স্থানে কাজ করেন ও প্রশিক্ষণ দেন। অবশেষে তিন মাসের মধ্যেই পুরো ক্ষতি সামলে ওঠেন।

সম্পত্তির হিসেবে, আলিবাগে তাঁর একটি বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা। মুম্বইয়ের একটি বহুতল ভবনেও তাঁর আরেকটি ফ্ল্যাট আছে, যার দাম আনুমানিক ৫ কোটি।

ব্যক্তিগত জীবনে বর্তমানে তিনি অবিবাহিত। একসময় অভিনেত্রী মোনা সিংহের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ দু’বছরের সম্পর্ক ছিল, যা ২০১৪ সালে শেষ হয়। এরপর ২০২১ সালে পোশাকশিল্পী নন্দিতা মহতানির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ালেও ২০২৩ সালে সে সম্পর্কেরও ইতি ঘটে।

শেয়ার করুন