বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জনপ্রিয়তার শিখরে হৃতিক, ৩০ হাজার বিয়ের প্রস্তাব!

২০০০ সালটা এক ঝটকায় বদলে দিয়েছিল বলিউড তারকা হৃতিক রোশনের জীবন। প্রথম চলচ্চিত্র ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ মুক্তির সঙ্গেই তিনি পরিণত হন দেশের সবচেয়ে আলোচিত নায়কে। বক্স অফিস কাঁপানো সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও শুরু হয় অদ্ভুত এক অধ্যায়। বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, ছবিটি মুক্তির মাত্র এক মাসের মধ্যেই নায়কের কাছে প্রায় ৩০ হাজার বিয়ের প্রস্তাব পৌঁছায়!

সম্প্রতি কপিল শর্মার জনপ্রিয় টক শো-তে উপস্থিত হয়ে নিজের ক্যারিয়ারের সেই শুরুর দিনগুলোর স্মৃতি ভাগ করে নেন হৃতিক। তিনি জানান, প্রথম ছবির সাফল্যের পর কীভাবে জনপ্রিয়তার ঢেউ তাঁকে আছড়ে পড়েছিল। চারপাশ থেকে একের পর এক অনুরাগ ও ভালোবাসার প্রকাশ ছিল তাঁর জন্য অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা। দীর্ঘদেহী সুঠাম গড়ন, আকর্ষণীয় চেহারা, দুর্দান্ত নাচ, রোম্যান্টিক উপস্থিতি আর অ্যাকশন দৃশ্যে সাবলীল পারফরম্যান্স সব মিলিয়ে তখনকার তরুণ প্রজন্মের কাছে হৃতিক ছিলেন একেবারে ‘ড্রিম হিরো’। অসংখ্য তরুণীর কল্পনার জগতে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। অনেকেরই ইচ্ছা ছিল তাঁকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়ার।

হৃতিক নিজেই জানান, একসময় সকালে ঘুম থেকে উঠে পর্দা সরালেই তিনি দেখতেন বাড়ির সামনে লম্বা লাইন। শুধু তরুণী ভক্তরাই নন, তাঁদের মায়েদেরও ভিড় থাকত তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, অনেক সময় তাঁকে বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে লুকিয়ে বের হতে হতো।

তবে হৃতিকের হৃদয়ে তখন জায়গা করে নিয়েছিলেন তাঁর শৈশবের বন্ধু সুজান খান। অভিনেতা সঞ্জয় খানের কন্যা সুজানই ছিলেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা। জনপ্রিয়তার চরম শিখরে থেকেও প্রায় প্রতিদিনই গোপনে সুজানের সঙ্গে দেখা করতেন হৃতিক। প্রেমিকাকে আর বেশিদিন অপেক্ষায় না রেখে ওই একই বছরে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

এই বিয়ের ঘোষণায় ভেঙে পড়েছিল অসংখ্য তরুণীর স্বপ্ন। তবুও কাজ ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য বজায় রেখে নিজের পরিচিতি আরও শক্ত করেছেন বলিউডের এই সুপারস্টার।

শেয়ার করুন