ঢাকার শাহবাগে ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ পরীক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। সন্ধ্যার ঠিক আগে এক দফায় সংঘর্ষের পর শাহবাগ মোড় এলাকা আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর আগে দুপুরে যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা করতে গেলে পরীক্ষার্থীদের আটক করে পুলিশ। বিকেলে তারা পিএসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ নতুন করে পিএসি কমিশন গঠনের দাবি জানান। আন্দোলনে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীরা মাথায় কাফনের কাপড় পরেছিলেন। সন্ধ্যার পর আন্দোলনকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
পরীক্ষার্থীরা দাবি করেন, তাদের পরীক্ষা পেছাতে হবে, তা না হলে তারা সড়ক ছাড়বেন না। ৪৯তম বিসিএসের পর খুব কম সময় পেয়ে তারা ৪৭তম বিসিএসের সময়সূচি পরিবর্তনের দাবি করছেন।
তারা আরও বলেন, আগের বিসিএসে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীরা লিখিত পরীক্ষার জন্য ৬ মাস থেকে এক বছর সময় পেতেন, কিন্তু এবার দুই মাসেরও কম সময় দেওয়া হয়েছে। এটি অযৌক্তিক। ৪৭তম বিসিএসের পরীক্ষার তারিখ পেছাতে হবে।
লিখিত পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে পরীক্ষার্থীরা স্মারকলিপি, মিছিল, অবরোধ ও অনশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। নীলক্ষেত ও শাহবাগ মোড় অবরোধের পাশাপাশি রাজশাহী ও ময়মনসিংহে রেলপথও বন্ধ হয়। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কও অবরুদ্ধ করা হয়। তারিখ পরিবর্তন না হলে পরীক্ষা বর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন।
৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ২৭ নভেম্বর থেকে শুরু হবে। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারের পদসংক্রান্ত বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা চলবে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।





