একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট শুনতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। তবে রিটকারীর আবেদন হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চে শুনানির জন্য জমা দেওয়া হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিলের বৈধতা নিয়ে রিট দায়ের করেছিলেন। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ছাড়াও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চে চলতি সপ্তাহে রিট শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও বেঞ্চটি তা গ্রহণ করতে পারেনি।
রিটে ১১ ডিসেম্বর ঘোষিত তফসিলের কার্যকারিতা স্থগিত করার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে নতুন তফসিল ঘোষণা করার নির্দেশ চাওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতিমধ্যে তফসিল অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল ও যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সামনে ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। প্রার্থীদের অঞ্চল অনুযায়ী নির্ধারিত বুথে আপিল করতে হবে।
দেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। ১ নম্বর বুথ (খুলনা অঞ্চল) মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার আপিল গ্রহণ করবে। ২ নম্বর বুথে (রাজশাহী অঞ্চল) জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনার আপিল গ্রহণ করা হবে।
বুথ-৩ (রংপুর) পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা, বুথ-৪ (চট্টগ্রাম) চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান, বুথ-৫ (কুমিল্লা) ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর, বুথ-৬ (সিলেট) সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ, বুথ-৭ (ঢাকা) টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ, বুথ-৮ (ময়মনসিংহ) জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা, বুথ-৯ (বরিশাল) বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর এবং বুথ-১০ (ফরিদপুর) রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার আপিল গ্রহণ করবে।
প্রাপ্ত আপিলগুলো ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনাররা নিষ্পত্তি করবেন। ভোটগ্রহণ নির্ধারিত হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি।





