ছবি : সংগৃহীত
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে জুলাই–আগস্টে রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ২৪ ডিসেম্বর এ বিষয়ে আদেশ দেবেন বলে জানান।
এ মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম। অন্য তিন আসামি হলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম, ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান। শেষের দুইজন বর্তমানে পলাতক।
এদিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউটররা শুনানিতে অংশ নেন। পলাতক দুই আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন এবং উপস্থিত দুই আসামির পক্ষে আইনজীবী হামিদুল মিসবাহ শুনানি করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ থেকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়।
এর আগে সকালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলমকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজত থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হলে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের হাজির করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
এই মামলায় গত ৬ ডিসেম্বর ফরমাল চার্জের ওপর শুনানি শেষ হয়। এরপর ১৪ ডিসেম্বর শুনানির দিন ধার্য থাকলেও রোববার আদেশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
প্রসঙ্গত, জুলাই–আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রামপুরা এলাকায় ২৮ জন নিহত হন এবং বহু মানুষ আহত হন। তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন চার আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে।





