বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামির পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের ফের রিমান্ডে

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুর পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত আবারও রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে মামলার আরেক আসামি, রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বলকে আদালত কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এর আগে, ১৫ ডিসেম্বর আসামিদের প্রথম দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।

দ্বিতীয় দফার রিমান্ডে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন: ফয়সাল করিম মাসুর স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, তার বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু।

প্রথম দফার রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত কর্মকর্তারা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয় হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য উদঘাটন করা, ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার, হত্যার অর্থদাতা এবং পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করা, এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিদের ধরার প্রয়োজনীয়তা এবং মামলার সঠিক তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে নুরুজ্জামান নোমানীকে কারাগারে রাখার দাবি।

আদালত শুনানি শেষে ফয়সালের স্ত্রী, বান্ধবী ও শ্যালককে প্রত্যেকে চার দিন করে রিমান্ডে রাখার অনুমোদন দেন এবং নুরুজ্জামান নোমানীকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এই মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন: ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সহযোগী মো. কবির এবং ভারতে পালাতে সহায়তা করা সিভিয়ন ডিউ ও সঞ্জয় চিসিম।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতাদের সনাক্তকরণ এবং ঘটনায় জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের চিহ্নিত করতে এই রিমান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শেয়ার করুন