সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ড. ইউনূস চাইলে সারা বাংলাদেশকে কারাগার বানাতে পারেন: আদালতে আনিস

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টায় আদালতে তোলা হয়। রিমান্ড শুনানিতে তিনি আদালতকে বলেন, “আমাকে যারা নির্দিষ্ট দলের গোলাম বানাতে চায়, এটা তাদের সমস্যা। ড. ইউনূস চাইলে সারা বাংলাদেশকে কারাগার বানাতে পারেন।”

মামলায় পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান রিমান্ড আবেদনের জন্য আদালতে হাজির হন। বিকাল ৫টা ৮ মিনিটে আনিস আলমগীরকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়।

আদালতে আনিস আলমগীর বলেন, “আমি সাংবাদিক। দুই যুগ ধরে ক্ষমতাকে প্রশ্ন করি। আমার কাজ কারও কাছে নতজানু হওয়া নয়। আমার ফেসবুকে সব বক্তব্য প্রকাশিত। আমি ড. ইউনূসের বাড়ি আক্রমণের প্রসঙ্গ বলেছি, কিন্তু সেটি প্রতিহিংসার রাজনীতির বিষয়। জুলাইয়ের স্পিরিট কীভাবে বাড়বে, সেটা নিয়ে আমি বলেছি। আমার ভুল কোথায়, জানি না। আমার সঙ্গে কারও যোগসূত্র নেই।”

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়। আনিস আলমগীর বলেন, তাকে ধানমন্ডির একটি জিম থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় নেওয়া হয় এবং আটটার দিকে ডিবি কার্যালয়ে পৌঁছান। তাকে বলা হয়, ডিবিপ্রধান তার সঙ্গে কথা বলবেন।

সোমবার বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে ডিবিপ্রধান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পরে জানা যায়, ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামের সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় রাত ২টার দিকে এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

শেয়ার করুন