স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহাগী বেগম ওই এলাকার মৃত আজিজুল ইসলামের স্ত্রী।
হত্যাকাণ্ডের পর সুমন তার মায়ের মরদেহ বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে প্রধান সড়কে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে আসেন।
চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আটক সুমনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে তিনি মাদকাসক্ত। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (মুখপাত্র) গাজিউর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ছেলে তার মাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।





