আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের প্রতিযোগিতায় খুলনা, যশোর ও নড়াইল জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ঘোড়া ও দক্ষ ঘোড়সওয়াররা অংশ নেন। প্রায় ১৭টি ঘোড়া দৌড়ে অংশগ্রহণ করে মাঠ মাতিয়ে তোলে। প্রতিযোগিতা চলাকালে দর্শকদের উচ্ছ্বাস ও করতালিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
সিদ্দিপাশা এলাকা থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘোড়দৌড় দেখতে আসা আনোয়ার হোসেন বলেন, “গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী খেলা এখন খুব কমই দেখা যায়। আজকের আয়োজন দেখে আমরা সত্যিই মুগ্ধ। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক সবাই আনন্দ উপভোগ করেছি।”
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ঘোড়সওয়ার আব্দুর রহমান জানান, “এই দৌড় আমাদের কাছে শুধু প্রতিযোগিতা নয়, এটা ভালোবাসা ও আবেগের জায়গা। অর্থের চেয়ে আনন্দ আর ঐতিহ্য ধরে রাখার টানেই আমরা অংশ নিই।”
আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য কবিরুল ইসলাম বলেন, “মানুষের বিনোদনের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য। তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদনের দিকে আকৃষ্ট করে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে দূরে রাখতেই এমন আয়োজন করা হয়েছে।”
এলাকাবাসীর মতে, এ ধরনের আয়োজন গ্রামবাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন করে প্রাণ ফিরিয়ে দেয় এবং সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করে।





