লতিফুল করিম, বগুড়া প্রতিনিধি :
বগুড়ায় এক নববধুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় নিহত নববধুর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। গতরাত্রী (২৩ নভেম্বর ) আট টার সাময় বগুড়া জেলা শহরের কইপাড়ার বকুলতলা এলাকায় ভাড়া করা একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নববধু বগুড়া কাহালু উপজেলার সান্তাহা এলাকার আনোয়ারুল ইসলামের মেয়ে মোছা আরিফা আক্তার শম্পা।
আটকৃত ব্যক্তি বগুড়ার গাবতলি হরারদিঘি এলাকার জাহিদুল মিয়ার ছেলে মো রিয়াজুল জান্নাত নাফিজ। নিহত শম্পার স্বামী। নিহতের স্বজন ও পুলিশ জানায় গত তিন মাস আগে আরিফা আক্তার শম্পা ভালোবেসে নাফিজকে বিয়ে করে। তাদের বিয়ে পরিবারের সদস্যরা মেনে না নেওয়ায় তারা কইপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া করে বসবাস শুরু করে। বসবাস করা কালিন সময়ে গত রাত্রী সাতটার সময় মেয়েটি তার জীবন বাচানোর জন্য তার মাকে মোবাইল করলে। মেয়েটির বাবা মা এসে দেখে মেয়ের মৃতদেহ মেঝেতে পরে আছে। পরে প্রতিবেশিদের সহায়তায় পুলিশে খবর দিলে পলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়ে দেয়। ঘটনার স্থল থেকে নিহতের স্বামীকে আটক করা হয়।
নিহত গৃহবধু শম্পার মা জানান আমার মেয়ে আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসে বিয়ে করে। বিয়ের পর আমরা ছেলে মেয়েকে মৌখিক ভাবে মেনে নেই। কিন্তু ছেলের পরিবারের সদস্যরা মেনে নেয়নি। মেয়ের জামাই আমার মেয়েকে বলে তুমি একটি মটরসাইকেল ও নগদটাকা তোমার বাবা মায়ের নিকট থেকে নিয়ে আসো এই বলে চাপ দিতে থাকে। ঘটনা দিন তেইসে নভেম্বর রবিবার সন্ধ্যার পর আমার মেয়ে শম্পা তার মাকে ফোন করে তার জীবন বাচানোর জন্য চিৎকার করে আকুতি জানায়। এমন সংবাদে আমরা সেখানে যাই। গিয়ে দেখি আমার মেয়ে মৃতদেহ ঘরের মেঝেতে পরে আছে।
মেয়েটির বাবা বলেন আমার মেয়ে জামাই আমার মেয়েকে প্রতিনিয়ত টাকার জন্য চাপ দিতো। আমার জামাই আমার মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। আটককৃত স্বামী নাফিজ জানায় ঘটনার সময় তিনি বাইরে ছিলেন। বাড়িতে এসে দেখেন জানালার সাথে গলায় গামছা বেধে ঝুলে আছে। পরে আমি শম্পাকে ঝুলন্ত অবস্থায় থেকে নামিয়ে দেখি সে(আমার স্ত্রী) মারা গেছে। আটককৃত নাফিজ এঘটনার সাথে জড়িত নেই বলে দাবি করেন।
তবে মেয়েটিকে কি কারনে হত্যা করা হয়েছে তাহ জানাতে না পারলেও তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উৎঘাটনা করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।





