অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার :
পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য দমনে আবারও বড় ধরনের অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে র্যাব। গভীর রাতে পরিচালিত এ অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বিদেশী পিস্তলসহ তিন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র। সম্প্রতি মনতাজ–কাকন বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এলাকা জুড়ে বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি—তারই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান।
র্যাব জানায়, ২৩ নভেম্বর রাত ১২টা ৩০ মিনিটে বাঘা থানার খায়েরহাট এলাকায় সিপিএসসি, র্যাব-৫ এর একটি দল বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় উদ্ধার করা হয় একটি বিদেশী পিস্তল, একটি পাইপগান, একটি ওয়ান শুটারগান এবং একটি ম্যাগাজিন।
এর আগে ২৭ অক্টোবর পদ্মার প্রত্যন্ত চরে চরের জমি, বাথান দখল ও বালুমহালকে কেন্দ্র করে আলোচিত মনতাজ ও কাকন বাহিনীর মধ্যে তীব্র গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষে একজন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আরেকজন। পরে নদীতে আরও একজনের মরদেহ পাওয়া গেলে ঘটনাটি দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ঘটনার পর থেকেই পুলিশ ও র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।
র্যাবের দাবি, গোয়েন্দা তৎপরতায় তথ্য পাওয়া যায়—চরাঞ্চলে দুই বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি আরও কিছু ডাকাত দলের কাছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র মজুত রয়েছে। সেই সূত্র ধরে রাতেই পদ্মার তীরবর্তী ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র্যাব। অভিযানে উদ্ধার হয় একটি বিদেশী পিস্তল, একটি পাইপগান ও একটি শুটারগান।
উল্লেখ্য, ৯ নভেম্বর একই এলাকায় পুলিশের অভিযানে ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’-এর মাধ্যমে বেশ কিছু দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল। তার পর থেকেই চরাঞ্চলকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত নজরদারি বজায় রেখেছে।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাঘা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।





