সকালের শুরু থেকেই খোলা ছিল দোকানপাট, হাটবাজার ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। বকশীগঞ্জ পৌর শহরের রাস্তাঘাটে ছিল স্বাভাবিক যান চলাচল। স্থানীয় পরিবহন ছাড়াও বকশীগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কে চলেছে দূরপাল্লার বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। আন্তঃজেলা রুটেও ছোট-বড় পরিবহন চলাচল করেছে নিয়মিতভাবে।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পৌর এলাকার ব্যস্ততা আরও বৃদ্ধি পায়। দোকানপাটে ক্রেতাদের ভিড়, অফিস-আদালত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছিল স্বাভাবিক উপস্থিতি। দিনভর কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
তবে লকডাউন ঘিরে সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল সতর্ক অবস্থানে। জননিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে টহল জোরদার করা হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্ত করা হয়।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, “লকডাউনের বিষয়ে আমরা সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছি। কেউ যদি আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
দিনভর স্বাভাবিক জনজীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্য চলতে থাকায় লকডাউন ডাকটি কার্যত বকশীগঞ্জে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি—এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা





