অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার :
রঙ, সুর ও সংস্কৃতির এক অনবদ্য মেলবন্ধন ঘটল রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত ওয়ানগালা ও লবাণ উৎসব–২০২৫-এ। মহানগরীর বাগানপাড়ায় উত্তম মেষপালক ক্যাথিড্রাল গির্জা প্রাঙ্গণে আয়োজিত দিনব্যাপী এই উৎসবে জমে উঠেছিল নৃত্য, সংগীত ও আনন্দের উচ্ছ্বাস।
রাজশাহী বিভাগের পাশাপাশি ময়মনসিংহ ও দিনাজপুর থেকে আগত গারো, সাঁওতাল, পাহাড়িয়া, মাহালী, উরাওসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ অংশ নেন উৎসবে। ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ঢোলের তালে তালে নাচ, আর নতুন ফসল উৎসর্গ—সব মিলিয়ে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ।
অনুষ্ঠানের সভাপতি নকমা লোটাস চিসিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী ক্যাথলিক ধর্মপ্রদেশের বিশপ জেভাস রোজারিও। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার দীন মোহাম্মদ, রাজশাহী ক্যাথলিক ধর্মপ্রদেশের ভিকার জেনারেল ফাদার ফাবিয়ান মারান্ডি, কারিতাস বাংলাদেশের রাজশাহী আঞ্চলিক পরিচালক ড. অরোক টপ্য, নানকিং গ্রুপের চেয়ারম্যান এহসানুল হুদা, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির পরিচালক হরেন্দ্র নাথ সিং, রাজশাহী পার্লার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রুকসানা হুদা, নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মিস সুলতা এবং গির্জার ভাইস চেয়ারম্যান ফ্রান্সিস সরেন।
ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নতুন ফসল উৎসর্গ ছিল এই উৎসবের মূল আকর্ষণ। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষরা নাচ-গান ও ঐতিহ্যবাহী উপস্থাপনার মাধ্যমে নিজেদের সংস্কৃতি তুলে ধরেন। উৎসবটি পরিণত হয় এক মিলনমেলায়—যেখানে ধর্ম, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বৈচিত্র্য মিশে যায় আনন্দ ও ঐক্যের সুরে।





