রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আজ সোমবার বিকেল ৪টায় প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন কমিশনের সদস্যরা। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রস্তাবিত সুপারিশের খসড়া নিয়ে আলোচনা হবে। প্রধান উপদেষ্টার মতামতের ভিত্তিতে খসড়ায় প্রয়োজনীয় সংশোধন বা সংযোজন-বিয়োজন করা হতে পারে। যদি কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন না পড়ে, তাহলে আজই পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেওয়া হতে পারে।
সূত্র আরও জানিয়েছে, কমিশনের প্রণীত রূপরেখা অনুযায়ী সনদ বাস্তবায়নের প্রথম ধাপে একটি আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা হবে—এর নাম হতে পারে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’। এই আদেশের আওতায় গণভোট আয়োজনের জন্য একটি পৃথক অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হবে। ওই অধ্যাদেশের ভিত্তিতেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংসদ আগামী ২৭০ দিন বা প্রথম নয় মাস সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এ সময়ে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো সংসদে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। বাস্তবায়নের পুরো প্রক্রিয়াটি ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’-এর মধ্যেই বিস্তারিতভাবে উল্লেখ থাকবে।
আদেশ জারির পর এর কিছু বিধান তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে, আর কিছু বিষয় পরবর্তীতে বাস্তবায়নের পর্যায়ে আসবে। কোন ধারা কবে থেকে কার্যকর হবে, সেটিও স্পষ্টভাবে নির্ধারিত থাকবে আদেশে। জুলাই সনদের মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব ওই আদেশের পরিশিষ্টে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে সেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের ভিন্নমত বা আপত্তির বিষয় উল্লেখ থাকবে না—শুধু কমিশনের গৃহীত চূড়ান্ত প্রস্তাব ও সিদ্ধান্তগুলোই স্থান পাবে।





